প্রশ্নের বর্ণনা

a নীহাররঞ্জন রায়
b আর. সি. মজুমদার
c অধ্যাপক আব্দুল করিম
d অধ্যাপক সুনীতি কুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীহাররঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: - 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট বাঙালি ইতিহাসবিদ নীহাররঞ্জন রায়। এটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি প্রামাণিক ও যুগান্তকারী গবেষণামূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে প্রাচীনকালের বাঙালি জাতির উদ্ভব, বিকাশ, সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক ইতিহাস অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীহাররঞ্জন রায় একাধারে ইতিহাসবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। তার এই অমর সৃষ্টিটি বাঙালির ইতিহাসচর্চায় মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। - গ্রন্থটি মূলত প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির ওপর আলোকপাত করে, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর নীহাররঞ্জন রায় রচিত 'বাঙালীর ইতিহাস: আদি পর্ব' গ্রন্থটি বাংলার সামাজিক ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দলিল। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি পাঠ করলে প্রাচীন বাংলার জনপদ, মানুষের জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতির স্বরূপ স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায়। উদাহরণ ২: ডক্টর নীহাররঞ্জন রায় রচিত 'রবীন্দ্র-সাহিত্য প্রস্তাবনা' প্রবন্ধগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্য সমালোচনামূলক একটি বিখ্যাত কাজ যা তার মননশীলতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীহাররঞ্জন রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটির লেখক। B) আর. সি. মজুমদার — রমেশচন্দ্র মজুমদার প্রাচীন বাংলার ইতিহাস নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তার রচিত নয়, তার বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ হলো 'হিস্ট্রি অফ এনশিয়েন্ট বেঙ্গল'। C) অধ্যাপক আব্দুল করিম — তিনি মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, তবে এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। D) অধ্যাপক সুনীতি কুমার সেন — তিনি ভাষাতত্ত্ববিদ হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'ওটিবিএল' বা বাংলা ভাষার ইতিহাস ও ব্যাকরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাঙালির ইতিহাস নিয়ে যার রায় বা সিদ্ধান্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, তিনি হলেন নীহাররঞ্জন রায়। এভাবে 'রায়' শব্দটির সঙ্গে মিলিয়ে লেখকের নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটির রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসে। ইতিহাসমূলক গ্রন্থগুলোর ক্ষেত্রে লেখকের নাম খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0