প্রশ্নের বর্ণনা

a দীনেশচন্দ্র সেন
b গোপাল হালদার
c আহমদ শরীফ
d সুকুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ডক্টর আহমদ শরীফ রচিত বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। - 'বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য' গ্রন্থটিতে বাঙালি জাতির বিকাশ এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অত্যন্ত প্রগতিশীল ও বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ডক্টর আহমদ শরীফ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রথিতযশা বাঙালি গবেষক, প্রাবন্ধিক ও মুক্তচিন্তার পন্ডিত। - তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং প্রাচীন পুঁথি সম্পাদনায় অনন্য অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর আহমদ শরীফ সম্পাদিত গ্রন্থ 'মধ্যযুগের পুথি পরিচয়'। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পুথি নিয়ে গবেষণা এবং তার সংক্ষিপ্ত পরিচয়ের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। উদাহরণ ২: ডক্টর আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ 'স্বদেশ চিন্তা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে লেখকের সমাজ, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র নিয়ে গভীর ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনেশচন্দ্র সেন — দীনেশচন্দ্র সেন প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' রচনা করেছিলেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) গোপাল হালদার — গোপাল হালদার 'বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা' নামক দুই খণ্ডের বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেছিলেন, যা এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সঠিক নয়। D) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' নামক একটি সুবিখ্যাত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহমদ শরীফ মানেই মধ্যযুগের পুঁথি ও বাঙালি সংস্কৃতির প্রগতিশীল গবেষণা। - 'বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য' বইটি দেখলে মনে রাখতে হবে এটি অধ্যাপক আহমদ শরীফের একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাসভিত্তিক কাজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ এবং রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - বিভিন্ন লেখকের সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0