প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্টোপ্যাধায়
b মীর মশাররফ হোসেন
c দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: 'বসন্ত কুমারী' নাটকটির রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও প্রথম নাটক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য ও নাটকের এক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব যিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তার এই প্রথম নাটকে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও সংস্কারের বিরুদ্ধে নাট্যকারের সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত আরেকটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার ট্র্যাজেডির ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপ্যাধায় — তিনি ঊনবিংশ ও বিংশ শতকের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও কোনো নাটক রচনা করেননি। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বসন্ত কুমারী' নাটকের রচয়িতা। C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। D) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকের জনক এবং 'শর্মিষ্ঠা' ও 'পদ্মাবতী' নাটকের রচয়িতা, 'বসন্ত কুমারী'র নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফের প্রথম সৃষ্টি মনে রাখতে মনে রাখুন এম দিয়ে মীর এবং তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বসন্ত কুমারী নাটক। নাটকের নাম বসন্ত কুমারী হওয়ায় এটি কোনো প্রণয়গাথা মনে হতে পারে, তবে এটি মীর সাহেবের প্রথম সাহিত্যকর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ বা নাটক কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। কোনো লেখকের প্রথম রচনা মনে রাখার জন্য তার জন্মসাল এবং প্রথম প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0