প্রশ্নের বর্ণনা

a শামসুর রহমান
b নির্মলেন্দু গুণ
c সৈয়দ শামসুল হক
d জীবনান্দন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত এবং এটি আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য দলিল। - ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকার মানুষের যন্ত্রণাময় জীবন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এই কাব্যে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং নাগরিক জীবনের নানা প্রপঞ্চ তাঁর কবিতায় প্রধান হয়ে উঠেছে। - এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে রচিত হয় এবং এতে অবরুদ্ধ ঢাকার পরাধীনতার গ্লানি ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের স্বপ্ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শামসুর রহমানের ‘ভিন্ন প্রাঙ্গণে’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার আরেকটি উজ্জ্বল নিদর্শন। উদাহরণ ২: শামসুর রহমানের ‘প্রথমা’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: তাঁর রচনার পরিধি ও বৈচিত্র্য বোঝাতে এই কাব্যগ্রন্থটি একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি। B) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বিখ্যাত আধুনিক কবি হলেও ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যটির রচয়িতা নন। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই কাব্যটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় ছিলেন, তাই তাঁর মনের বন্দিদশা থেকেই ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যটি রচিত হয়েছে। - কবি শামসুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শ্রেষ্ঠ কাব্যগুলোর কথা মনে রাখলে খুব সহজেই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এই গ্রন্থগুলোর নাম ও কবির তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। - একই ধরনের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্য হলো নির্মলেন্দু গুণের ‘হুলিয়া’, যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0