প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রমথ চৌধুরী
b বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
c যতীন্দ্রমোহন বাগচী
d মোহিতলাল মজুমদার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘বনফুল’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। - তিনি বাংলা সাহিত্যে মূলত ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য এই ছদ্মনাম ব্যবহার করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১৯০০ সালের ১৯ জুলাই পূর্ণিয়ার মণিপরিহার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন পেশায় তিনি একজন চিকিৎসক ছিলেন কিন্তু লেখালেখিতে সাহিত্যিক নাম হিসেবে ‘বনফুল’ বেছে নেন। - তাঁর ছোটগল্প আকারে ছোট হলেও তাতে গভীর জীবনদর্শন ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুটে উঠত এবং তিনি মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতীকী রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাতেম আলী’। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘সে ও আমি’। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও লেখকের সুগভীর মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনবোধ সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — এই লেখক ‘বীরবল’ ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি চলিত রীতির প্রবক্তা। B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যিকই ‘বনফুল’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। C) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি ‘কাব্যভূষণ’ উপাধি পেলেও বনফুল ছদ্মনাম ব্যবহার করেননি। D) মোহিতলাল মজুমদার — ইনি একজন খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্য সমালোচক যিনি ‘দ্বিজাবতংস’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বনফুলের আসল নামের আদ্যক্ষর ‘ব’ এবং তাঁর ছদ্মনামের শুরুতেও ‘ব’ বর্ণটি রয়েছে। - চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত এই লেখক ফুল ভালোবাসতেন তাই বলাইচাঁদ নিজের জন্য বনফুল নাম বেছে নেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ছদ্মনামের ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর ‘বীরবল’ এবং বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ‘বনফুল’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি নাম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0