প্রশ্নের বর্ণনা

a মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আহমদ শরীফ
c মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
d মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি বড়ু চণ্ডীদাশ রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা সংশ্লিষ্ট সম্পাদিত গ্রন্থ প্রকাশের ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত। - এখানে বড়ু চণ্ডীদাশের কাব্য বলতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের নিদর্শন এবং তার সম্পাদনা কাজের সঙ্গে জড়িত গবেষকদের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বড়ু চণ্ডীদাশ মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম আদি কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেছিলেন। - মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা যৌথভাবে বড়ু চণ্ডীদাশের কাব্য বা এর বিভিন্ন অংশ সম্পাদনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত চর্যাপদের গানগুলো চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামে পরিচিত। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের সাহিত্য সম্পাদনার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: ডক্টর আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্যের মধ্যে লোরচন্দ্রাণী অন্যতম। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্য উদ্ধারে এবং সম্পাদনায় তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি মূলত চর্যাপদ ও প্রাচীন যুগ নিয়ে গবেষণা করেছেন কিন্তু এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের সম্পাদক নন। B) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আহমদ শরীফ — আহমদ শরীফ প্রাচীন ও মধ্যযুগের অনেক গ্রন্থ সম্পাদনা করলেও এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে তিনি যৌথ সম্পাদক নন। C) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান — সৈয়দ আলী আহসান আধুনিক সাহিত্য ও রবীন্দ্র সাহিত্য নিয়ে বেশি কাজ করেছেন। D) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা যৌথভাবে এই গ্রন্থ সম্পাদনার কাজটি সম্পন্ন করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড়ু চণ্ডীদাশের কাব্য সম্পাদনার সঙ্গে হাই ও পাশা যুক্ত ছিলেন এটি মনে রাখতে হাইস্কুলে পাশ করার কথাটি মাথায় রাখতে পারেন। - মধ্যযুগের সাহিত্যিকদের সম্পাদনা মনে রাখার জন্য সম্পাদকদের নামের প্রথমাংশ মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্য এবং এর সম্পাদকদের নাম প্রায়ই আসে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ডক্টর আহমদ শরীফ সম্পাদিত অন্যান্য প্রাচীন ও মধ্যযুগের গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে নেবেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0