প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৮৫ সালে
b ১৮৭২ সালে
c ১৮৭৫ সালে
d ১৮৮১ সালে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭২ সালে ১. কেন সঠিক: 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাময়িকপত্র যা বঙ্গীয় সাহিত্য বিকাশে বিপ্লব এনেছিল। এই পত্রিকাটি বাংলা ১৩৭৯ সালের বৈশাখ মাসে অর্থাৎ ইংরেজি ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারা ও মননশীল প্রবন্ধের ভিত্তি মজবুত হয়। এই পত্রিকার মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোটগল্প 'ভিখারিণী' এবং বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসটি প্রথমে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস এবং এর প্রকাশনা বঙ্গদর্শন পত্রিকার মাধ্যমেই জনপ্রিয়তা লাভ করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসটি বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকার নতুন পর্যায় চলাকালীন প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৮৫ সালে — এই সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশের সাল নয়। B) ১৮৭২ সালে — এই সালটি সঠিক কারণ এই বছরেই বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। C) ১৮৭৫ সালে — এই সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশের সাল নয়। D) ১৮৮১ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্রের 'আনন্দমঠ' উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়া শুরু হয় কিন্তু বঙ্গদর্শন প্রকাশের সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৮৭২ সাল, যে সালে বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা সাহিত্যকে আলোকিত করতে এই পত্রিকা আনেন। সালটি মনে রাখতে ১৮৭২ সংখ্যাটিকে বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টির সুবর্ণ যুগ হিসেবে কল্পনা করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে এর সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম, প্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0