প্রশ্নের বর্ণনা

a গবেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
b মধুসূদন ও কুমুুদিনী
c গোবিন্দলাল ও রোহিণী
d সুরেশ ও অচলা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোবিন্দলাল ও রোহিণী ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের মূল কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গোবিন্দলাল ও রোহিণীর মধ্যকার জটিল প্রেমের সম্পর্ক। - এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম জানতে চাওয়ায় গোবিন্দলাল ও রোহিণী জুটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে মানবমনের পতন ও পরকীয়া প্রেম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে নগেন্দ্র, সুর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী প্রধান চরিত্র। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গবেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী — গবেন্দ্রনাথ কোনো কেন্দ্রীয় চরিত্র নয় এবং কুন্দনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের চরিত্র। B) মধুসূদন ও কুমুদিনী — মধুসূদন ও কুমুদিনী রবীন্দ্রনাথম ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র। C) গোবিন্দলাল ও রোহিণী — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। D) সুরেশ ও অচলা — সুরেশ ও অচলা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মনে রাখার জন্য ‘গোবিন্দলাল-রোহিণী’ জুটি স্মরণে রাখুন। - অন্যান্য উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সাথে যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিখ্যাত উপন্যাস ও প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যান্য উপন্যাস যেমন দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা ও বিষবৃক্ষ-এর চরিত্রগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0