প্রশ্নের বর্ণনা

a চণ্ডীমঙ্গল
b অন্নদামঙ্গল
c মনসামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - 'ফুল্লবর' চরিত্রটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মঙ্গলকাব্যের ধারা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি পরিচিত চরিত্র। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে লৌকিক দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের পাশাপাশি সমসাময়িক সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হতো এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান অত্যন্ত বিখ্যাত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন কালকেতু ও ফুল্লরা। - এই কাব্যের আখেটিক খণ্ডে ব্যাধ পরিবারের দুঃখ-কষ্ট, সংগ্রাম এবং পরবর্তীতে দেবী চণ্ডীর কৃপায় তাদের ভাগ্যের পরিবর্তনের কাহিনী অত্যন্ত সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালকেতু ব্যাখ্যা: ফুল্লরার স্বামী এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক অংশের প্রধান পুরুষ চরিত্র হলো কালকেতু। উদাহরণ ২: ভারু দত্ত ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি অন্যতম কুখ্যাত চরিত্র হলো ভারু দত্ত, যে নানা চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফুল্লবর বা ফুল্লরা চরিত্রটি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) অন্নদামঙ্গল — এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত মধ্যযুগের শেষ মঙ্গলকাব্য, যেখানে বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান রয়েছে, ফুল্লবর চরিত্র এখানে নেই। C) মনসামঙ্গল — এটি পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্য হিসেবে পরিচিত যেখানে লখিন্দর, বেহুলা ও চাঁদ সওদাগরের কাহিনী প্রধান। D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেন ও ধর্মঠাকুরের উপাখ্যান ভিত্তিক মধ্যযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঙ্গলকাব্য, যেখানে ফুল্লরার কোনো উপস্থিতি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুল্লরা নামটির সঙ্গে ব্যাধ পরিবারের কষ্টের জীবন জড়িত এবং ব্যাধ চরিত্র মানেই মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন চরিত্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই চরিত্রভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0