প্রশ্নের বর্ণনা

a দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রামমোহন রায়
d কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম পরিচিত একটি শোকগাথা বা স্মৃতিকথামূলক রচনা। - বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর আকস্মিক প্রয়াত ভগিনী প্রভাবতীর স্মরণে এই গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনিশ শতকের বাংলা গদ্যের পডুয়া, সংস্কারক ও প্রধান স্থপতি। - বাংলা সাহিত্যে শোকমূলক গদ্য রচনার ক্ষেত্রে এটি একটি অনন্য ও আবেগঘন সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাবতী সম্ভাষণ ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি শোকগাথা। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম নেতা ও ধর্মীয় সংস্কারক ছিলেন, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম অগ্রদূত হলেও এই নির্দিষ্ট শোকগাথার রচয়িতা নন। D) কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধায় — তিনি ইয়ং বেঙ্গল গ্রুপের বিশিষ্ট সদস্য ও লেখক ছিলেন, কিন্তু এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের মূল গদ্যকর্ম মনে রাখতে সীতার বনবাস, প্রভাবতী সম্ভাষণ ও শকুন্তলা এক সাথে মনে রাখা যায়। - শোকমূলক রচনা এলেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' নামটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থগুলোর তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে। - গদ্যের রূপ ও রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0