প্রশ্নের বর্ণনা

a সৈয়দ শামসুল হক
b মুনীর চৌধুরী
c মমতাজউাদ্দন আহমেদ
d জহির রায়হান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যার রচয়িতা বরেণ্য সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই কাব্যনাট্যে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নিপীড়ন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং অনুবাদে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কাব্যনাট্যটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যনাট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্যনাট্যের রচয়িতা। B) মুনীর চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ এবং ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’-এর রচয়িতা কিন্তু ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকের রচয়িতা নন। C) মমতাজউাদ্দন আহমেদ — তিনি মূলত শিশুনাট্য ও লোকনাট্য রচনার জন্য বিখ্যাত যেমন ‘কিংশুক রাতেই ফুল’ তবে এই নাটকের রচয়িতা নন। D) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার যিনি ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের জন্য পরিচিত কিন্তু এই নাটকের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নামের সাথে সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য ধারার মিল রয়েছে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্যনাট্যটি সৈয়দ সাহেবের সৃষ্টি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কোন জাতীয় সাহিত্যকর্ম বা কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। এটি একটি কাব্যনাট্য এবং এর রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0