প্রশ্নের বর্ণনা

a শশী
b হেরম্ব
c কুবের
d গনেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুবের ১. কেন সঠিক: পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো কুবের, যিনি একজন জেলের জীবন সংগ্রামের প্রতীক। পদ্মার ভাঙন ও প্রকৃতির নিষ্ঠুরতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই চরিত্রের মাধ্যমেই উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটিতে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের সুখ, দুঃখ, দারিদ্র্য ও মনস্তত্ত্ব অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ। ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর এই উপন্যাসের মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতার বিষয়টি মজিদ চরিত্রের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোখের জলে উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মহেন্দ্র। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসের জটিল মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের প্রধান চরিত্র হলো মহেন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশী — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস পুতুলনাচের ইতিকথার কেন্দ্রীয় চরিত্র। B) হেরম্ব — এটি এই উপন্যাসের কোনো প্রধান চরিত্র নয়, বরং লেখকের অন্য লেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে। C) কুবের — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় জেলের নাম। D) গনেশ — এটি পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের কোনো কেন্দ্রীয় চরিত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পদ্মানদীর মাঝি মানেই জেলে কুবের এবং এর লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। নামের সঙ্গে নদীর ভাঙন ও জেলের জীবন মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদ্মানদীর মাঝি একটি প্রখ্যাত সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাস। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের লেখক এবং কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0