প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মধুসূদন দত্ত
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d কায়কোবাদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ১৩১৭ সনে 'পদাবলি' নামে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন যেখানে বৈষ্ণব পদাবলীর আধুনিক রূপায়ণ ঘটেছে। - বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর ভাবধারা ও সুরকে আধুনিক কবিতার আধারে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি বৈষ্ণব সাহিত্যের অনুধ্যানেও অনন্য অবদান রেখেছেন। - এই গ্রন্থে বৈষ্ণব পদকর্তাদের রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার আতিশায্য থেকে বেরিয়ে মানবীয় প্রেম ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির এক নতুন মেলবন্ধন সৃষ্টি করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিশোর বয়সে ভানুসিংহ ছদ্মনামে রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা বিখ্যাত একটি পদসংকলন। উদাহরণ ২: সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি প্রামাণ্য সংকলন যেখানে তাঁর বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'পদাবলি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। B) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক, তিনি পদাবলি রচনা করেননি। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত, তাঁর ক্ষেত্রে পদাবলি রচনার তথ্যটি অপ্রাসঙ্গিক। D) কায়কোবাদ — মহাকবি কায়কোবাদ 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, পদাবলি তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের পদাবলি মনে রাখতে মনে রাখুন যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈষ্ণবীয় ভাবধারায় প্রভাবিত হয়ে নিজস্ব কাব্যরীতিতে 'পদাবলি' রচনা করেছিলেন। - লেখক ও গ্রন্থের নাম একত্রে মনে রাখার জন্য কবির কাব্যগ্রন্থের তালিকা ছক আকারে পড়তে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী এবং রবীন্দ্রনাথের 'পদাবলি' নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই নাম দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - একই লেখকের ভিন্ন ধারার সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0