প্রশ্নের বর্ণনা

a বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন এবং বিপ্লবীদের দেশপ্রেম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক। তাঁর উপন্যাসে সমাজের নিগৃহীত মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। - 'পথের দাবী' উপন্যাসটি লেখার কারণে ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ করেছিল। এর প্রধান চরিত্র হলো সব্যসাচী মল্লিক, যিনি একজন বিপ্লবী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'দেবদাস' ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি ট্র্যাজেডিধর্মী জনপ্রিয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'শ্রীকান্ত' ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন। বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'পথের পাঁচালী'। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা। C) কাজী ইমদাদুল হক — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'আব্দুল্লাহ'। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন। বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস 'কপালকুন্ডলা'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটি নিয়ে ব্রিটিশরা পথে নেমেছিল বা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, সেটাই 'পথের দাবী'। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিষিদ্ধ হওয়া গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। 'পথের দাবী' একটি নিষিদ্ধ গ্রন্থ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0