প্রশ্নের বর্ণনা

a বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চ্রট্রোপাধ্যায়
c কাজী ইমদাদুল হক
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পথের দাবী' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যার রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো সব্যসাচী, যিনি দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। - ১৯২৬ সালে প্রকাশিত 'পথের দাবী' উপন্যাসে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের চিত্র অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বিয়োগাত্মক প্রেমের উপন্যাস। উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যা চার খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি ভুল কারণ তিনি 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি বিখ্যাত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের লেখক। B) শরৎচন্দ্র চ্রট্রোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। (প্রশ্নপত্রে চ্রট্রোপাধ্যায় বানানটি মূলত চট্টোপাধ্যায় হবে, যা মুদ্রণজনিত ত্রুটি)। C) কাজী ইমদাদুল হক — এটি ভুল কারণ তিনি 'পথের দাবী' লেখেননি, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'আব্দুল্লাহ'। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি ভুল কারণ তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও 'পথের দাবী' তার রচিত নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র মানেই সমাজের বিদ্রোহী ও বঞ্চিত মানুষের কথা, আর 'পথের দাবী' হলো তার রাজনৈতিক উপন্যাসের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে পথে নামার বা দাবীন জানানোর সাহস শরৎচন্দ্র তার উপন্যাসের বিপ্লবীদের দিয়েছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা এবং এর প্রধান চরিত্র সব্যসাচী সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসের নাম যেমন 'পল্লীসমাজ' বা 'চরিত্রহীন' ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0