প্রশ্নের বর্ণনা

a সেলিম আল দীন
b নুরুল মোমেন
c সৈয়দ শামসুল হক
d সাইদ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সৈয়দ শামসুল হক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি এই বিখ্যাত কাব্যনাট্যটি রচনা করেছেন। - ‘নুরলদীনে সারাজীবন’ একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কাব্যনাট্য যা বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম এবং অধিকার আদায়ের প্রেরণা নিয়ে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি সাহিত্যিক যিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - এই নাটকটিতে রংপুরের ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরলদীনের চরিত্রকে কেন্দ্র করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি জনপ্রিয় গদ্য নাটক যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিম আল দীন — এই নাট্যকার লোকজ নাট্যধারা নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে কীর্তনখোলা ও কেরামত খাঁ। B) নুরুল মোমেন — ইনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো নেমেসিস। D) সাইদ আহমদ — ইনি আধুনিক বাংলা নাট্যধারার একজন প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো কালরাত্রি ও উলুখাগড়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - নুরলদীনের মতো বিদ্রোহী ও কাব্যিক চরিত্র নিয়ে নাটক লেখার ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হক সবচেয়ে বেশি পরিচিত। - কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো সৈয়দ শামসুল হক মানেই পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নুরলদীনে সারাজীবন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাব্যনাট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ১৯৩৫ এবং মৃত্যু ২০১৬ সালে, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের সময়কাল বুঝতে সাহায্য করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0