প্রশ্নের বর্ণনা

a অরুন্ধতী রায়
b কামিনী রায়
c প্রমথ চৌধুরী
d অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত ১. কেন সঠিক: - অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত বাংলা সাহিত্যে কল্লোল যুগের একজন প্রখ্যাত লেখক, যিনি মূলত ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - তাঁর রচিত অনেক সাহিত্যকর্ম ও মনস্তাত্ত্বিক গল্প এই ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল, যা তৎকালীন পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও জীবনীকার হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। - কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার প্রবর্তন করেন এবং তাঁর লেখনীতে মানবজীবনের গভীর বাস্তবতার প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'বেদেনী'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতে গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা ও তাদের মনস্তত্ত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত রচিত জীবনভিত্তিক গ্রন্থ 'মহাপ্রাণ রামকৃষ্ণ'। ব্যাখ্যা: এটি শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনীভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরুন্ধতী রায় — তিনি সমকালীন ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সমাজকর্মী, বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী স্নাতক ও প্রখ্যাত বাঙালি কবি, তিনি ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, যিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। D) অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কল্লোল যুগের লেখক অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্তের নারীসুলভ ছদ্মনামটি ছিল ‘নীহারিকা দেবী’। - এটি মনে রাখতে অচিন্ত্য কুমার ও নীহারিকা দেবী নাম দুটি একসঙ্গে বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’ এবং বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’—এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0