প্রশ্নের বর্ণনা

a জহির রায়হান
b মুনীর চৌধুরী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি দীনবন্ধু মিত্র কারণ তিনিই বিখ্যাত বাংলা নাটক 'নীলদর্পণ' রচনা করেছিলেন। - উনিশ শতকের ষাটের দশকে নীলকর সাহেবদের ভয়াবহ অত্যাচার এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি মূলত নীলকরদের বিরুদ্ধে কৃষকদের অধিকার নিয়ে লিখেছিলেন। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম সার্থক সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সধবার একাদশী' ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত সামাজিক প্রহসন। উদাহরণ ২: 'নবীন তপস্বিনী' ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক ও পৌরাণিক নাট্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও তিনি 'নীলদর্পণ' নাটক লেখেননি, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'। B) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত নাটক 'রক্তাক্ত প্রান্তর'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক হলেও তিনি 'নীলদর্পণ' রচনা করেননি, তার বিখ্যাত নাটক 'ব্যথার দান' বা কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'। D) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮৬০ সালে 'নীলদর্পণ' নাটকটি সফলভাবে রচনা ও প্রকাশ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল দর্পণের মতো করুণ নাটকের জন্য বন্ধু দরকার, আর তাই দীনবন্ধু মিত্র নামটি মনে রাখা সহজ। - নাটকটি প্রকাশের সাল ১৮৬০, যা সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পরের একটি ঐতিহাসিক সময়কাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'নীলদর্পণ' নাটকটি কে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যার উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - একই রকম ঐতিহাসিক ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন সাহিত্যকর্ম পড়ার সময় রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0