প্রশ্নের বর্ণনা

a নীলকরদের অত্যাচার
b ভাষা আন্দোলন
c অসহযোগ আন্দোলন
d তে-ভাগা আন্দোলন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীলকরদের অত্যাচার ১. কেন সঠিক: - এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ব্রিটিশ নীলকর সাহেবদের দ্বারা বাংলার সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়ন। - নাটকে কৃষকদের ওপর নীলচাষে বাধ্য করার করুণ চিত্র এবং এর প্রতিবাদে তাদের সংগ্রাম অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক যা নীল বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির গুরুত্ব বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং নীলকরদের অত্যাচারের কথা ইংরেজরা যেন জানতে পারে, সেজন্য এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই নাটকটিকে ‘Uncle Tom s Cabin’ উপন্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। ব্যাখ্যা: আমেরিকার দাসপ্রথার বিরুদ্ধে রচিত উপন্যাসের মতো ‘নীলদর্পণ’ও তৎকালীন বাংলার নির্যাতিত মানুষের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলকরদের অত্যাচার — এটি সঠিক কারণ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল নীলকরদের নিষ্ঠুর শাসন ও শোষণ। B) ভাষা আন্দোলন — এটি ১৯৫২ সালের বাঙালি জাতির মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম যার সঙ্গে এই নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই। C) অসহযোগ আন্দোলন — এটি ব্রিটিশবিরোধী রাজনৈতিক আন্দোলন যা বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত হয়েছিল এবং এই নাটকের কাল এর চেয়ে অনেক আগের। D) তে-ভাগা আন্দোলন — এটি ১৯৪৬ সালে বাংলার কৃষকদের ফসল ভাগাভাগি নিয়ে সংঘটিত একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন যা এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলদর্পণ নাটকের নামেই রয়েছে ‘নীল’ শব্দ, যা থেকে খুব সহজেই নীলকরদের অত্যাচারের বিষয়টি মনে রাখা যায়। - মনে রাখবে, নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা এবং এর ইংরেজি অনুবাদক কে ছিলেন, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা সাহিত্যের সামাজিক নাটকের ক্ষেত্রে দীনবন্ধু মিত্রের এই অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0