প্রশ্নের বর্ণনা

a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b সমরেশ বসু
c প্রমথ চৌধুরী
d শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যচর্চায় ‘নীল লোহিত’ ছদ্মনামটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতেন। - এই ছদ্মনামে তাঁর লেখা ‘নীল লোহিতের কান্ডকারখানা’ বা বিভিন্ন ছোটগল্প অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছদ্মনাম হলো সনাতন পাঠক ও নীলকণ্ঠ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস ‘অর্ধেক জীবন’। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘একা এবং কয়েকজন’। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সত্য। B) সমরেশ বসু — সমরেশ বসুর বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো কালকূট এবং ভ্রমর। C) প্রমথ চৌধুরী — প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো বীরবল। D) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাধারণত কোনো ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না, তবে তিনি ‘অ্যানালায়েড’ নামেও কিছু লেখালেখি করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুনীল মানেই নীল, তাই তাঁর ছদ্মনামের সাথে ‘নীল লোহিত’ নামটি খুব সহজে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - লেখকের নামের আদ্যক্ষরের সাথে ছদ্মনামের প্রথম অংশের মিল পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর ‘বীরবল’ এবং সমরেশ বসুর ‘কালকূট’ ছদ্মনামগুলোও বারবার পরীক্ষাতে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0