প্রশ্নের বর্ণনা

a জসীমউদদীন
b ফররুখ আহমদ
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d জীবনানন্দ দাশ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে রূপসী বাংলা ও নিসর্গ চেতনার এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার নির্জনতম কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তিনি ত্রয়োদশ শতাব্দীর পরবর্তী আধুনিকতার অন্যতম রূপকার। - তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, রূপসী রূপ এবং মানুষের জীবনের ক্লান্তি, একাকীত্ব ও বিষণ্নতা গভীরভাবে ফুটিয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বনলতা সেন’ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ এবং কবিতা, যা আধুনিক বাংলা কাব্যে ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: ‘রূপসী বাংলা’ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তিনি বাংলার প্রকৃতি ও রূপকে অত্যন্ত গভীর ভালোবাসার সঙ্গে চিত্রিত করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদদীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদের ঘাট’। B) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘সাত সাগরের মাঝি’। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘মানসী’, ‘সোনার তরী’ ও ‘গীতাঞ্জলি’। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ তাঁরই অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম তিনটি কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার কৌশল হলো ‘ঝরাপালক’ দিয়ে শুরু, মাঝে ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ এবং তারপরে আসে ‘বনলতা সেন’। - এভাবে কবির কালানুক্রমিক কাব্যগ্রন্থগুলো সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বিশেষ করে ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ এবং ‘বনলতা সেন’-এর রচয়িতা কে, তা বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মুখোমুখি হতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0