প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকুমার রায়
c দাউদ হায়দার
d কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'দোলনচাপা' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২৩ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি তার রোমান্টিক ও দ্রোহী চেতনার এক অনবদ্য প্রকাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ। - 'দোলনচাপা' কাব্যগ্রন্থে তারুণ্যের জয়গান, প্রেম ও দ্রোহের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে এবং এর নামকরণ করা হয়েছে দোলনচাপা ফুলের নামানুসারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী ও বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সোনালী কাবিন বা গীতাঞ্জলি, কিন্তু 'দোলনচাপা' তার রচনা নয়। B) সুকুমার রায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের ননসেন্স রাইম বা খেয়ালী গল্পের প্রবক্তা এবং বিখ্যাত ছড়াকার, তার প্রধান রচনা আবোল তাবোল। C) দাউদ হায়দার — তিনি সমকালীন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও লেখক, যিনি সত্তরের দশকের কবিতায় আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন। D) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি দোলনচাপা কাব্যের লেখকের সঠিক নাম নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুল মানেই দ্রোহ ও প্রেমের কবি, আর তার দোলনচাপা কাব্যটি মূলত ফুলের নামে হলেও এটি তার রোমান্টিক কবিতার ভান্ডার। - কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দোলনচাপা দুটিই ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - কবিদের ছদ্মনাম, প্রথম রচনা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0