প্রশ্নের বর্ণনা

a হুমায়ন আহমেদ
b তারাশঙ্কার বন্দ্যোপাধ্যায়
c বুদ্ধদেব বসু
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ন আহমেদ ১. কেন সঠিক: - ‘দেয়াল’ হলো নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস। - এই উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও নাট্যকার যিনি মূলত আশির দশক থেকে লেখালেখি শুরু করেন। - ‘দেয়াল’ তার অন্যতম শেষ ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস যা মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের বিশাল কলেবরের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা বিশ শতকের প্রথমার্ধের পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তারই সৃষ্টি। B) তারাশঙ্কার বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘দেয়াল’ তার লেখা নয়। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক, কিন্তু তিনি এই উপন্যাস লেখেননি। D) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘দেয়াল’ উপন্যাসটি তার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের শেষ দিকের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো ‘দেয়াল’ ও ‘জোছনা ও জননীর গল্প’। - লেখকের শেষ উপন্যাস মনে রাখতে ‘দেয়াল’ নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর নাম ও চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - লেখকের শেষ উপন্যাস বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0