প্রশ্নের বর্ণনা

a সাম্যবাদী
b বিষের বাঁশী
c সিন্ধুহিন্দোল
d নতুন চাঁদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধুহিন্দোল ১. কেন সঠিক: - 'দারিদ্র্য' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। - এই কবিতায় কবির ব্যক্তিগত জীবনের অভাব অনটন এবং সমাজের নির্মম বাস্তবতার রূপ অত্যন্ত শৈল্পিক ও জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত যিনি বাংলা কবিতায় নতুন সুর ও দ্রোহের সূচনা করেন। - 'সিন্ধুহিন্দোল' ১৯২৭ সালে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিন্ধুহিন্দোল কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি কবিতা হলো 'দারিদ্র্য'। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্গত যা বাংলা সাহিত্যকে সবচেয়ে বেশি আন্দোলিত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাম্যবাদী — এই কাব্যগ্রন্থে কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী ও মানবতাবাদী চিন্তা প্রকাশ পেলেও 'দারিদ্র্য' কবিতাটি এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বিষের বাঁশী — এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারণে সরকারের বাজেট হওয়া একটি নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। D) নতুন চাঁদ — এটি বাংলা প্রকৃতির রূপ ও প্রেমের আবহ নিয়ে রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ যা দারিদ্র্য কবিতার মূল সুরের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল ইসলামের 'সিন্ধু' মানে সাগর আর 'হিন্দোল' মানে দোলনা, যেখানে দরিদ্র মানুষের জীবনের দুঃখ কষ্ট দোল খায়। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে দারিদ্র্যের কষ্ট সিন্ধুর মতো বিশাল আর তা সিন্ধুহিন্দোল কাব্যে স্থান পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন কবিতার কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - বিশেষ করে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সাম্যবাদী ও সিন্ধুহিন্দোল কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0