প্রশ্নের বর্ণনা

a রক্তাক্ত প্রান্তর
b অসমাপ্ত আত্মজীবনী
c কারাগারের রোজনামচা
d দৌলত কাজী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কারাগারের রোজনামচা ১. কেন সঠিক: উক্তিটি বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক কারাবন্দী জীবনের দিনলিপিতে এই মানবিক ও আবেগপূর্ণ সংলাপটি পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক গ্রন্থ। বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালে প্রকাশিত এই দিনলিপিতে তৎকালীন রাজনৈতিক বন্দী জীবনের চিত্র ও পারিবারিক আকুতির এক অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার দেখা নতুন চীন ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেকটি ঐতিহাসিক ভ্রমণভিত্তিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের শুরুর দিককার স্মৃতিকথাভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যার বিষয়বস্তু তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। B) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলেও আলোচ্য উক্তিটি এই গ্রন্থে নেই। D) দৌলত কাজী — এটি কোনো গ্রন্থ নয়, বরং মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের দিনলিপি ও ব্যক্তিগত আবেগ জড়িত উক্তিগুলো সাধারণত কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থ থেকে আসে। আত্মজীবনীমূলক কথা থাকলে অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং চীন ভ্রমণের কথা থাকলে আমার দেখা নতুন চীন স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা গ্রন্থসমূহের নাম, প্রকাশকাল এবং বিখ্যাত উক্তি প্রায়ই আসে। তাই কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ দুটির প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0