প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রবোধ চন্দ্র সেন
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রমথনাথ বিশি
d প্রদ্যুম্ন মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'তেল নুন লকড়ি' প্রবন্ধগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর রচনা। - এই গ্রন্থে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, প্রাত্যহিক জীবনের নানা বিষয় এবং চিন্তাশীল প্রবন্ধ অত্যন্ত চমৎকার ও ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - তাঁর গদ্যে সাধু রীতির পরিবর্তে চলিত রীতির প্রবর্তন এবং গুরুগম্ভীর ভাবের পরিবর্তে লঘু চালে গভীর সত্য প্রকাশের শৈলী বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে লেখকের বিভিন্ন মননশীল ও প্রমথীয় রসবোধসম্পন্ন প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে যা বাংলা প্রবন্ধসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর রচিত আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'রায়তের কথা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার এবং সামাজিক অবস্থান নিয়ে প্রাবন্ধিক অত্যন্ত জোরালো ও বাস্তবসম্মত মতামত প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবোধ চন্দ্র সেন — ইনি মূলত বাংলা ছন্দের ইতিহাস ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করেছেন, কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল নুন লকড়ি' লেখেননি। B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। C) প্রমথনাথ বিশি — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, গবেষক ও অধ্যাপক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর নয়। D) প্রদ্যুম্ন মিত্র — ইনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন এবং বাংলা সাহিত্যে এই নামের কোনো প্রধান প্রাবন্ধিক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখুন এবং তাঁর বিখ্যাত প্রমথীয় প্রবন্ধগুলো যেমন তেল নুন লকড়ি, বীরবলের হালখাতা একসাথে মনে রাখার চেষ্টা করুন। - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর নামের মধ্যে একটি বৈচিত্র্য ও লঘুভাব লক্ষ্য করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তাঁর সম্পাদিত 'সবুজ পত্র' পত্রিকা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রবন্ধগ্রন্থ চেনার জন্য লেখকের লেখার ধরন ও তাঁর সৃষ্ট সাহিত্যকর্মের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0