প্রশ্নের বর্ণনা

a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c কায়কোবাদ
d শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক মহাকাব্য ধারার সূচনা হিসেবে পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা কাব্যের প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই কাব্যটির রচিয়তা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি চার সর্গে বিভক্ত একটি পদ্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে সম্পূর্ণ নতুন ধারার সৃষ্টি করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যের মূল রচয়িতা এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যকার। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা কাব্যের ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন। C) কায়কোবাদ — ইনি একজন বিখ্যাত মুসলিম কবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। D) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বা ঔপন্যাসিক, কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম সার্থক সৃষ্টির নাম মনে রাখতে তিলোত্তমাসম্ভব শব্দটি প্রথমা হিসেবে মনে রাখা যায়। - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যের হাত ধরেই তার মহাকাব্যিক যাত্রা শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য বা নাটক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, তা বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0