প্রশ্নের বর্ণনা

a অদ্বৈ মল্লবর্মণ
b তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
c হাসান আজিজুল হক
d সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্বৈ মল্লবর্মণ ১. কেন সঠিক: - ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের রচয়িতা অদ্বৈ মল্লবর্মণ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি প্রখ্যাত আঞ্চলিক ও জীবনধর্মী উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈ মল্লবর্মণ একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মালো সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন। - তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি প্রথম ১৯৪৫ সালে মাসিক প্রবাসীতে এবং পরে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত নদীকেন্দ্রিক ও প্রমত্ত জনপদের মানুষের জীবন নিয়ে রচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: কবি ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্বৈ মল্লবর্মণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের লেখক। B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে গণদেবতা ও হাঁসুলী বাঁকের উপকথা উল্লেখযোগ্য। C) হাসান আজিজুল হক — তিনি মূলত তাঁর প্রখর কথাসাহিত্য ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত, যেমন আগুনপাখি তাঁর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — তিনি বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো অন্যতম। ৫ মনে রাখার টিপস: - তিতাস নদীর তীরে অদ্বৈত জীবন কেটেছিল এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তিতাসের লেখক অদ্বৈ মল্লবর্মণ। - নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে অদ্বৈ মল্লবর্মণের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক উপন্যাস বা নদীভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক অদ্বৈ মল্লবর্মণের একমাত্র ও অমর সৃষ্টি হলো তিতাস একটি নদীর নাম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0