প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজা রামমোহন রায়
b প্রমথ চৌধুরী
c অক্ষয়কুমার দত্ত
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসভিত্তিক, যেখানে অক্ষয়কুমার দত্ত ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সহকারী সম্পাদক ও পরবর্তী সময়ে সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - ঊনবিংশ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশ, বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ ১৮৩৯ সালের ৬ অক্টোবর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৪৩ সালে এর মুখপত্র হিসেবে ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রকাশিত হয়। - অক্ষয়কুমার দত্ত ১৮৪৩ সাল থেকে দীর্ঘ সময় এই পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে একে বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রুচিশীল ও পরিশীলিত পত্রে রূপান্তর করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘চারুপাঠ’। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষামূলক ও নৈতিকতাভিত্তিক গ্রন্থ, যা সেকালের পাঠশালাগুলোতে পড়ানো হতো। উদাহরণ ২: অক্ষয়কুমার দত্তের রচিত বিজ্ঞানভিত্তিক গ্রন্থ ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান ও দর্শনের মেলবন্ধন ঘটিয়েছিল এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেও ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, কারণ পত্রিকাটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। B) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বিখ্যাত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, ‘তত্ত্ববোধিনী’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) অক্ষয়কুমার দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি দীর্ঘকাল অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি, কোনো সাময়িক পত্রিকার এই সম্পাদক ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত দিয়ে তত্ত্ববোধিনী এবং অ দিয়ে অক্ষয়কুমার দত্ত মনে রাখতে পারো, কারণ এই পত্রিকার স্বর্ণযুগ বলা হয় তাঁর সম্পাদনা কালকে। - পরীক্ষার হলে পত্রিকার নাম দেখলেই সম্পাদক হিসেবে অক্ষয়কুমার দত্তের নাম প্রথম মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা কোন সনে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - পত্রিকার সম্পাদকের নাম মনে রাখার জন্য সাময়িকী ও সম্পাদকের একটি আলাদা তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0