প্রশ্নের বর্ণনা

a অক্ষয়কুমার দত্ত
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। - এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ এবং সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও পন্ডিত ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। - তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত ‘চারুপাঠ’ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষামূলক ও নীতিগর্ভ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’। ব্যাখ্যা: এটি বিজ্ঞান ও দর্শন ভিত্তিক একটি বিখ্যাত মননশীল রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি দীর্ঘকাল তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের রচয়িতা, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক নন। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের বিদ্যাসাগর নামে পরিচিত এবং বহু গ্রন্থ প্রণেতা, তবে এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও রম্যরচয়িতা, যিনি অনেক পরের যুগের লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ব এবং অক্ষয় শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো, কারণ তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। - পত্রিকার নামের সাথে সম্পাদকের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে এই তথ্য সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ঊনবিংশ শতাব্দীর বিভিন্ন পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জিজ্ঞেস করা হয়। - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সাথে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং অক্ষয়কুমার দত্তের নাম ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0