প্রশ্নের বর্ণনা

a কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
b রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
c শামসুর রাহমান
d সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - ‘ঢাকা প্রকাশ’ বাংলার একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক পত্রিকা, যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। - ১৮৬১ সালের ১ মার্চ (বাংলা ১২৬৮ সালের ১৮ ফাল্গুন) ঢাকা থেকে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, যিনি তাঁর নীতিগর্ভ কাব্যগ্রন্থ ‘সদ্ভাবশতক’-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - ‘ঢাকা প্রকাশ’ পত্রিকা প্রকাশের পেছনে বাংলা गদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ অম্বিকাচরণ গুপ্ত এবং ঢাকার অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। উদাহরণ ২: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: ১৮২৯ সালে প্রকাশিত এই সংবাদপত্রের সঙ্গে রামমোহন রায়, দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং প্রসূন্ন কুমার ঠাকুরের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘ঢাকা প্রকাশ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিখ্যাত প্রবাসী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, যা ঢাকা প্রকাশ পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শামসুর রাহমান — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রধান আধুনিক কবি ও সাংবাদিক ছিলেন, কিন্তু তিনি ঢাকা প্রকাশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি ষাটের দশকে বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ‘সমকাল’-এর সম্পাদক ছিলেন, ঢাকা প্রকাশের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাকা প্রকাশ পত্রিকার নাম মনে রাখতে ‘ঢাকা’ এবং প্রথম সম্পাদক হিসেবে ‘কৃষ্ণচন্দ্র’ নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - এভাবে মনে রাখা সহজ হয় যে উনিশ শতকের ঢাকা অঞ্চলের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মুখপত্র ছিল এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও উনিশ শতকের সংবাদপত্র এবং সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - সমাচার দর্পণ, তত্ত্বরঞ্জিনী, বঙ্গদর্শন এবং সমকাল পত্রিকার সম্পাদকদের নামও একই সঙ্গে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0