প্রশ্নের বর্ণনা

a গ্রাম্য গীতিকা
b রূপকথা
c ছোট গল্প
d উপকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপকথা ১. কেন সঠিক: 'ঠাকুরমার ঝুলি' হলো দক্ষিণিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার সংকলিত বাংলা রূপকথার একটি অমর সংকলন। এই গ্রন্থে বাংলার গ্রামীণ লোকমুখে প্রচলিত অলৌকিক ও কাল্পনিক গল্পগুলোকে রূপকথা হিসেবে একত্রিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার বাংলার লোকসাহিত্য সংগ্রহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯০৭ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটির মাধ্যমে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও রূপকথা লিখিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালকমল ও নীলকমল। ব্যাখ্যা: এটি ঠাকুরমার ঝুলির একটি বিখ্যাত রূপকথা যেখানে দুই রাজপুত্রের বীরত্ব ও অলৌকিক কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বুদ্ধু ভুতুম। ব্যাখ্যা: এটিও ঠাকুরমার ঝুলির অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় রূপকথা যা পাঠকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম্য গীতিকা — গ্রাম্য গীতিকা হলো লোকসংগীত বা পদ্যভিত্তিক গাথা, যা ঠাকুরমার ঝুলির গদ্যধর্মী রূপকথার সংকলনের সঙ্গে মেলে না। B) রূপকথা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে অবাস্তব ও কাল্পনিক ঘটনার মাধ্যমে নীতিশিক্ষা ও বিনোদনমূলক গল্প স্থান পেয়েছে। C) ছোট গল্প — ছোট গল্প হলো আধুনিক সাহিত্যের একটি ভিন্ন রূপ যা জীবনের কোনো বিশেষ দিককে ফুটিয়ে তোলে, এটি লোকজ রূপকথা নয়। D) উপকথা — উপকথায় সাধারণত পশুপাখিকে চরিত্র হিসেবে ব্যবহার করে সরাসরি নীতিশিক্ষা দেওয়া হয়, যা ঠাকুরমার ঝুলির রূপকথা থেকে ভিন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: ঠাকুরমার ঝুলি নামটির সঙ্গে রূপকথা শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার বাংলার রূপকথার জনক হিসেবে পরিচিত, তাই তার এই গ্রন্থটি রূপকথা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঠাকুরমার ঝুলি প্রকাশিত হয় ১৯০৭ সালে এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গ্রন্থটির সংকলক ও রচনার ধরন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0