প্রশ্নের বর্ণনা

a সওগাত
b সমকাল
c মোহাম্মাদী
d শিখা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিখা ১. কেন সঠিক: - ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ বিখ্যাত এই বাণীটি ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’ এর মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকার প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে নীতিবাক্য হিসেবে মুদ্রিত থাকত। - ১৯২৬ সালে গঠিত ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত এই পত্রিকাটির মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তচিন্তা, বুদ্ধিচর্চা এবং সামাজিক গোঁড়ামির অবসান ঘটানো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘শিখা’ পত্রিকা ১৯২৬ সালের ১৯শে মার্চ ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর মুখপত্র হিসেবে ১৯২৭ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। - আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেন এই সংগঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন এবং আবুল হোসেন ‘শিখা’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী মোতাহের হোসেন ব্যাখ্যা: তিনি ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘শিখা’ আন্দোলনের একজন প্রধান বুদ্ধিজীবী ছিলেন। উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: এই আন্দোলনের মূল স্লোগান বা দর্শন ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা, তবে এর মূল স্লোগান ভিন্ন ছিল। B) সমকাল — সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ষাটের দশকের একটি বিশিষ্ট সাহিত্য পত্রিকা, যার সঙ্গে এই উক্তিটি সম্পর্কিত নয়। C) মোহাম্মাদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ সম্পাদিত একটি ইসলামি ধারার প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা ছিল। D) শিখা — এই অপশনটি সঠিক এবং এর প্রতি সংখ্যায় উল্লিখিত উদ্ধৃতিটি ছাপা হতো। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধি ও মুক্তির প্রতীক হলো শিখা, তাই ‘মুক্তি’ শব্দটি দেখলেই ‘শিখা’ পত্রકાর কথা মনে রাখতে হবে। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের স্লোগান এবং শিখা পত্রিকার নাম এভাবে একত্রে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও ‘শিখা’ পত্রিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0