প্রশ্নের বর্ণনা

a চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
b আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
c নীহাররঞ্জন রায়
d সমরেশ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চারুচন্দ্র চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - 'জরাসন্ধ' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর বিখ্যাত ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে তাঁর পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চারুচন্দ্র চক্রবর্তী বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক। - তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো পলামউ, যা তিনি জরাসন্ধ ছদ্মনামে লিখেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পলামউ ব্যাখ্যা: এটি চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর জরাসন্ধ ছদ্মনামে লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: নদী ও নারী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার রচয়িতা অন্য একজন বিশিষ্ট লেখক হুমায়ুন কবীর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চারুচন্দ্র চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'জরাসন্ধ' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। B) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — ইনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম জরাসন্ধ নয়। C) নীহাররঞ্জন রায় — ইনি একজন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক ছিলেন, তাঁর ছদ্মনাম জরাসন্ধ নয়। D) সমরেশ বসু — ইনি একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক হলেও তাঁর সুপরিচিত ছদ্মনাম কালকূট ও ভ্রমর। ৫ মনে রাখার টিপস: - চারুচন্দ্রের চার এবং জরাসন্ধের কাজ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বারবার অনুশীলন করলে সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বনফুল কে ছিলেন। - মূল লেখকের নামের পাশাপাশি তাঁদের ছদ্মনামগুলো আলাদা করে একটি নোট খাতায় লিখে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0