প্রশ্নের বর্ণনা

a আহসান হাবীব
b ফররুখ আহমদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি বিশিষ্ট আধুনিক কবি আহসান হাবীবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি। - আহসান হাবীব তাঁর সংবেদনশীল ও পরিচ্ছন্ন কাব্যরীতির জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আহসান হাবীব ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও নিভৃতচারী কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর কবিতায় মানুষের সুখ-দুঃখ, মধ্যবিত্ত জীবনের নিঃসঙ্গতা এবং রোমান্টিক সুষমা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রি শেষ ব্যাখ্যা: এটি কবি আহসান হাবীবেরই আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: আশা অজেয় ব্যাখ্যা: এটিও আহসান হাবীবের রচিত একটি জনপ্রিয় ও নন্দিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি এ কবিরই লেখা। B) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ একজন মুসলিম রেনেসাঁর কবি হলেও ‘ছায়া হরিণ’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’। C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও ‘ছায়া হরিণ’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘একদা এক রাজ্যে’। D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও ‘ছায়া হরিণ’ তাঁর গ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নাম মনে রাখলে তাঁর ‘ছায়া হরিণ’ এবং ‘রাত্রি শেষ’ কাব্যগ্রন্থ দুটি একসঙ্গে মনে রাখা সহজ হয়। - আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ মেলানোর সময় কবিদের প্রধান সাহিত্যধারার সঙ্গে গ্রন্থগুলোর নাম মিলিয়ে পড়বে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত কবিদের একাধিক কাব্যগ্রন্থের নাম তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0