প্রশ্নের বর্ণনা

a জীবনানন্দ দাশ
b আল মাহমুদ
c বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
d অবধুত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘চাঁদের পাহাড়’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ক্ল্যাসিক কিশোর উপন্যাস, যার রচয়ীতা কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে আফ্রিকার দুর্গম অঞ্চলের বনজঙ্গল, পাহাড়ি প্রকৃতি এবং রোমাঞ্চকর অভিযানের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের প্রকৃতি ও মানুষের জীবনের গভীর রূপকার এবং তিনি বাংলা উপন্যাসে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। - তাঁর এই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শংকর রায় চৌধুরী, যে ভাগ্যের অন্বেষণে এবং রোমাঞ্চের টানে আফ্রিকার অজানা প্রান্তরে পাড়ি জমায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতিভিত্তিক একটি অনন্য উপন্যাস, যা ভাগলপুরের জঙ্গলের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক, কিন্তু 'চাঁদের পাহাড়' তাঁর রচনা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি বিশ শতকের খ্যাতিমান বাঙালি কবি ও কথাসাহিত্যিক, তবে এই বিখ্যাত রোমাঞ্চ উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। C) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অবধুত — তিনি 'মরুতীর্থ হিংলাজ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত একজন লেখক, কিন্তু 'চাঁদের পাহাড়' তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চাঁদের পাহাড় মানেই বিভূতিভূষণের লেখা আফ্রিকার জঙ্গল আর শংকরের রোমাঞ্চকর অভিযান। - এই উপন্যাসটি কিশোর বয়সীদের ভ্রমণ ও আবিষ্কারের স্পৃহা জাগাতে বিশেষভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর উপন্যাসগুলোকে প্রকৃতিপ্রেমী উপন্যাস এবং কিশোর উপযোগী উপন্যাস হিসেবে আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব উপকারী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0