প্রশ্নের বর্ণনা

a আবদুল কাদের
b খতিব মিয়া
c আক্কাশ আলী
d আরেফ আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আরেফ আলী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে উল্লিখিত ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের মূল চরিত্র ও কেন্দ্রীয় যুবক শিক্ষক হলেন আরেফ আলী। - এই উপন্যাসে তার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, অপরাধবোধ ও নৈতিক সংকটের দিকটি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘চাঁদের অমাবস্যা’ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক মানুষের অবচেতনের অপরাধবোধ এবং সমাজের ভণ্ডামিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ‘লালসালু’। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ‘কাঁদো নদী কাঁদো’। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল কাদের — এটি ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের কোনো প্রধান চরিত্র নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) খতিব মিয়া — খতিব মিয়া সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত চরিত্র। C) আক্কাশ আলী — আক্কাশ আলীও ‘লালসালু’ উপন্যাসের একটি চরিত্র যিনি মক্তব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। D) আরেফ আলী — এটি ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক শিক্ষকের সঠিক নাম এবং এটিই কাঙ্ক্ষিত উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের শিক্ষক ‘আরেফ আলী’ এবং ‘লালসালু’ উপন্যাসের পীর ‘মাজেদ মিয়া’ এভাবে চরিত্রগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি চরিত্র ভীষণ শক্তিশালী এবং পরীক্ষাগারে বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের চরিত্র ও প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই লেখকের অন্য উপন্যাসগুলোর নাম ও চরিত্র আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0