প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
b শ্রীরামপুর মিশন
c এশিয়াটিক সোসাইটি
d ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - ১৯১৬ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কৃত পদগুলি এই পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যকর্ম। - এটি চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনি দত্ত। ব্যাখ্যা: মুনি দত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত ভাষায় টিকা লিখেছিলেন যা এর অর্থ বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি কাহ্নপা। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদে সর্বাধিক সংখ্যক তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ — এটি সঠিক কারণ এখান থেকেই চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) শ্রীরামপুর মিশন — এটি সঠিক নয় কারণ এখান থেকে কেরিমুদ্দিন বা বাইবেলের অনুবাদ প্রকাশিত হতো। C) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি সঠিক নয় কারণ এটি প্রাচীন এশীয় সাহিত্য ও বিজ্ঞান চর্চার প্রতিষ্ঠান। D) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি সঠিক নয় কারণ এটি ১৮০০ সালে বাংলা গদ্য চর্চার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ প্রকাশের সাথে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ নামটি মনে রাখতে পারেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আবিষ্কারের সূত্র ধরে। পরিষদ থেকে প্রকাশিত প্রথম প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল। একইভাবে অন্যান্য প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্মের প্রথম প্রকাশকাল ও প্রকাশনা সংস্থার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0