প্রশ্নের বর্ণনা

a সনাতন হিন্দু
b সহজিয়া বৌদ্ধ
c জৈন
d হরিজ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজিয়া বৌদ্ধ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। মহাসিনিয়ান বা সহজিয়া বৌদ্ধ সাধকরা তাদের ধর্মীয় সাধনা ও অনুভূতির কথা গোপন ভাষায় গীতি বা পদের মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সম্প্রদায়ের চর্যাগীতিকা। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপাদ রচিত চর্যাপদের প্রথম পদটি সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সাধনা ও তত্ত্ব প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এই পদে সাধক লুইপাদ চর্যার মাধ্যমে সহজ সাধনার গভীর তত্ত্ব ও গুহ্য সাধনার রূপ তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপাদ চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কাহ্নপাদ তেরোটি পদ রচনা করে সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের বিভিন্ন আচার ও সাধনার দিক ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনাতন হিন্দু — চর্যাপদ সনাতন হিন্দু ধর্মের সাহিত্য নয় কারণ এর পদকর্তারা বৌদ্ধ ধর্মের সাধক ছিলেন। B) সহজিয়া বৌদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বৌদ্ধ ধর্মের একটি বিশেষ সাধনা ধারাকে নির্দেশ করে। C) জৈন — চর্যাপদ জৈন ধর্মের অনুসারীদের রচিত কোনো সাহিত্য নয় বরং এটি বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন। D) হরিজ — হরিজ কোনো মূল ধর্মীয় সম্প্রদায় নয় এবং চর্যাপদের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের ধর্ম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া ধারা। চর্যা মানে আচরণ, আর সহজিয়া বৌদ্ধরা আচার-অনুষ্ঠানের বাইরে সহজ উপায়ে ধর্মচর্চা করতেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা হলো সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা যার অর্থ সহজে বোঝা যায় না। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের ধর্ম, আবিষ্কারক ও পদকর্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0