প্রশ্নের বর্ণনা

a 1800
b 1857
c 1907
d 1909
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা ভাষার আদি উৎস ও প্রাচীন রূপ সম্পর্কে ঐতিহাসিক সত্য উন্মোচিত হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান। অধ্যাপক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারই একটি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরানো বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ করেন। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি চর্যাপদ আবিষ্কারের পর প্রথম প্রকাশকাল নির্দেশ করে যা পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি বা ছচল্লিশটি পূর্ণ পদ এবং বাকী অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদের সংখ্যা এবং এর টিকে থাকা অংশ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে এই তথ্যটি অত্যন্ত জরুরি। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) ১৮০০ — এই সালে শ্রীরামপুর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৮৫৭ — এই সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় প্রথম বিবাহ আইন প্রণীত হয় এবং সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, যা চর্যাপদের ইতিহাসের সঙ্গে মেলে না। C) ১৯০৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। D) ১৯০৯ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর দ্বিতীয়বার নেপাল ভ্রমণের সাল হলেও আবিষ্কারের সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো সাতান্ন বছর পর ১৯৪৭ সালের আগে অর্থাৎ ১৯০৭ সালে এটি আলোয় আসে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে গিয়ে প্রাচীন পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন এবং সালটি ছিল বিশ শতকের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৯০৭। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা আবিষ্কারের পর থেকেই এর উৎস নিয়ে ব্যাপক গবেষণা শুরু হয় এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একে বঙ্গকামরূপী ভাষা বলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান এবং পদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0