প্রশ্নের বর্ণনা

a শৈবধর্ম
b বৌদ্ধ সহজযান
c নাথধর্ম
d কোনটি নয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম ১. কেন সঠিক: - গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি নাথধর্ম বা নাথসাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন এবং যোগসাধনা সম্পর্কিত কাহিনীর ওপর রচিত। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নাথ সাহিত্যের প্রধান চরিত্র মীননাথ এবং তার শিষ্য গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনা ও কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এটি রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হলো নাথ সাহিত্য, যা বৌদ্ধ সহজিয়া ও শৈব ধর্মের মিশ্রণে গড়ে ওঠা নাথধর্মের প্রচার ও প্রসারের জন্য রচিত হয়। - মধ্যযুগের কবি ফৈজুল্লাহ বা শেখ ফৈজুল্লাহ এই কাব্যটি রচনা করেন এবং এতে হঠযোগ ও কায়াসাধনার তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি লোকসাহিত্যের অংশ যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির ওপর রচিত এবং নাথসাহিত্যের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারা। উদাহরণ ২: শূন্যপুরাণ ব্যাখ্যা: এটি রামাই পণ্ডিত রচিত প্রাচীন ও মধ্যযুগের ধর্মীয় সাহিত্য যা নাথধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মের নানা উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবধর্ম — গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি কেবল শৈবধর্মের একক বিশ্বাসের ওপর রচিত নয়, বরং এটি নাথধর্মের সাধনপদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত। B) বৌদ্ধ সহজযান — যদিও নাথধর্মের সঙ্গে বৌদ্ধ সহজকায়াসাধনার প্রভাব রয়েছে, তবে মূল কাব্যটি নাথধর্মের সুনির্দিষ্ট কাহিনী ও দর্শন অবলম্বনে লেখা। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গোরক্ষ বিজয় মানেই নাথধর্ম, কারণ গোরক্ষনাথ ও মীননাথ ছিলেন নাথ ধর্মের প্রধান প্রচারক ও সাধক। - মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য মানেই যোগসাধনা এবং অমরত্ব লাভের কাহিনীর প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাথ সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। - গোরক্ষ বিজয় কাব্যের রচয়িতা শেখ ফৈজুল্লাহ এবং এটি নাথ ধর্মের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0