প্রশ্নের বর্ণনা

a শশাঙ্কদেবের
b লক্ষ্মণ সেনের
c যশোবর্মনের
d হর্ষবর্ধনের
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লক্ষ্মণ সেনের ১. কেন সঠিক: - কবি জয়দেব সেন রাজবংশের শেষ স্বাধীন রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্ন নামক বিশিষ্ট বিদ্বান পন্ডিত দলের অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন। - গীতগোবিন্দ কাব্যটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের লীলা সম্পর্কিত অত্যন্ত বিখ্যাত একটি পদাবলী কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জয়দেব সেন দ্বাদশ শতাব্দীর সংস্কৃত কবি এবং গীতগোবিন্দ তাঁর অমর সৃষ্টি যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বসাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। - লক্ষ্মণ সেনের রাজসভায় জয়দেবসহ পাঁচজন প্রখ্যাত রত্ন ছিলেন যাদের একত্রে পঞ্চরত্ন বলা হতো এবং এটি বাংলা সাহিত্যের সেন যুগের একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধোয়ীর পবনদূত ব্যাখ্যা: ধোয়ীও লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্ন কবিদের একজন ছিলেন এবং তাঁর পবনদূত কাব্যটি দূতকাব্য ধারার একটি অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: জয়দেবের গীতগোবিন্দ ব্যাখ্যা: গীতগোবিন্দ কাব্যের প্রতিটি সর্গ গীতময় ও রাধা-কৃষ্ণের প্রেমতত্ত্বের ওপর রচিত যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশাঙ্কদেবের — শশাঙ্ক প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন রাজা ছিলেন এবং তাঁর রাজত্বকাল সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে ছিল যা জয়দেবের সময়কালের অনেক পূর্বে অবস্থিত। B) লক্ষ্মণ সেনের — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ লক্ষ্মণ সেনের রাজসভাতেই কবি জয়দেব তাঁর বিখ্যাত গীতগোবিন্দ কাব্য রচনা করেছিলেন এবং সভাকবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) যশোবর্মনের — যশোবর্মন ছিলেন কনৌজের রাজা এবং তাঁর সভাকবি ছিলেন প্রখ্যাত সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার বাকপতিরাজ ও ভবভূতি যাদের সাথে জয়দেবের কোনো সম্পর্ক নেই। D) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন ছিলেন প্রাচীন ভারতের পুষ্যভূতি বংশের রাজা এবং তাঁর সভাকবি ছিলেন বাণভট্ট যিনি হর্ষচরিত ও কাদম্বরি রচনা করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জয়দেবের গীতগোবিন্দ এবং লক্ষ্মণ সেনের সভা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো লক্ষ্মণ সেনের ল দিয়ে লক্ষ্মী এবং জয়দেবের জয় মিলে রাজসভায় জয়ী হয়েছিল। - সেন বংশের রাজাদের আমলেই সংস্কৃত সাহিত্য এবং জয়দেবের মতো প্রতিভাবান কবিদের বিকাশ ঘটেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি কে ছিলেন অথবা গীতগোবিন্দ কার রচনা। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিকদের রাজসভার নাম মনে রাখলে বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0