প্রশ্নের বর্ণনা

a গোবিন্দচন্দ্র দাস
b জসীম উদদীন
c সফিয়া কামাল
d জীবনানন্দ দাশ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - উদ্ধৃত চরণটি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা কাব্যের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ। - কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতি ও রূপের সঙ্গে এমনভাবে মিশে যাওয়ার কথা বলেছেন যে, মৃত্যুর পরও তিনি বাংলার নানা উপাদান হয়ে ফিরে আসবেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক যিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - ১৯৫৪ সালের ২২শে অক্টোবর ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায় ব্যাখ্যা: এই চরণেও কবি বাংলার প্রকৃতির টানে বারবার এই বাংলায় ফিরে আসার আকুল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: হয়তো মানুষ নয় হয়তো শঙ্খচিল শালিখের বেশে ব্যাখ্যা: মৃত্যুর পরও কবি মানুষের রূপ ছাড়াও বাংলার বিভিন্ন পাখিরূপে বাংলার মাটিতে ফিরে আসার কল্পনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দচন্দ্র দাস — তিনি বাংলার একজন প্রখ্যাত স্বভাবকবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) জসীম উদদীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য চরণটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। C) সফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী কবি ও সাহিত্যিক, তবে এই বিখ্যাত পংক্তির রচয়িতা তিনি নন। D) জীবনানন্দ দাশ — এটি তাঁর রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতার অন্তৰ্গত নির্ভুল চরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলার প্রকৃতি, রূপসী বাংলা এবং মৃত্যুর পরও বাংলায় ফিরে আসার আকূতির কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশকে স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত বাংলার নিসর্গপ্রকৃতির বন্দনা নিয়ে রচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0