প্রশ্নের বর্ণনা

a মুনীর চৌধুরী
b কায়কোবাদ
c হামিদ আলী
d ফররুখ আহমদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদ আলী ১. কেন সঠিক: - কাসেম বধ কাব্য গ্রন্থটির রচয়িতা কবি হামিদ আলী। - ইসলামী ঐতিহ্য ও মুসলিম পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে ঊনবিংশ শতাব্দীতে রচিত একটি বিশিষ্ট মহাকাব্য এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি হামিদ আলী বাংলা সাহিত্য ধারায় মুসলিম রেনেসাঁ ও ইসলামী ঐতিহ্যের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন। - কারবালার ইতিহাস এবং হযরত আলীর পরিবারের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের ঘটনা এই কাব্যের মূল উপজীব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোহরা ব্যাখ্যা: এটি কবি হামিদ আলীর অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুসলিম ঐতিহ্যকে ধারণ করে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন রচিত কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর লেখা মহাকাব্যিক গদ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী ছিলেন, কাসেম বধ কাব্য তাঁর রচনা নয়। B) কায়কোবাদ — তিনি মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনার জন্য বিখ্যাত, তবে কাসেম বধ কাব্য তার সাহিত্যকর্ম নয়। D) ফররুখ আহমদ — তিনি আধুনিক যুগের ইসলামী ধারার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি। ৫ মনে রাখার টিপস: কাসেম বধ কাব্যের লেখক হামিদ আলী নামটিতে ক এবং হ এর মিল মনে রেখে কাসেম বধ মানেই হামিদ আলী এভাবে সহজে মুখস্থ রাখা যায়। মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক মহাকাব্য রচয়িতা হিসেবে হামিদ আলীর নাম পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের রচিত কাব্য ও মহাকাব্য থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু এবং হামিদ আলীর কাসেম বধ কাব্য একই ঐতিহাসিক ঘটনার সাহিত্যিক রূপায়ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0