প্রশ্নের বর্ণনা

a মণিভূষণ মুখোপাধ্যায়
b মুজাফফর আহমদ
c আবুল হোসেন
d প্রেমেন্দমিত্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেমেন্দমিত্র ১. কেন সঠিক: - কালিকলম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন প্রেমেন্দ্র মিত্র। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই সাহিত্যপত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। - বিশ শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে বাংলা কাব্য ও গদ্য সাহিত্যে যে আধুনিকতার হাওয়া লেগেছিল, কালিকলম পত্রিকা ছিল তার অন্যতম প্রধান বাহক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালিকলম পত্রিকাটি ১৯২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি মূলত বাংলা আধুনিক সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি পত্রিকা। - এই পত্রিকার সঙ্গে সেকালের প্রগতিশীল ও আধুনিক মননের লেখকরা যুক্ত ছিলেন, যারা ঐতিহ্য ভেঙে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টিতে ব্রতী হয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কল্লোল পত্রিকা ব্যাখ্যা: কালিকলমের সমসাময়িক আরেকটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্যপত্র হলো কল্লোল, যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: প্রগতি পত্রিকা ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় ঢাকায় প্রকাশিত প্রগতি পত্রিকাটিও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিকাশে বিশেষ অবদান রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মণিভূষণ মুখোপাধ্যায় — ইনি কালিকলম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন না, যদিও সেকালের সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর কিছুটা সম্পৃক্ততা ছিল। B) মুজাফফর আহমদ — ইনি ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং সাংবাদিক ছিলেন, তবে কালিকলম পত্রিকার সম্পাদক নন। C) আবুল হোসেন — ইনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন প্রখ্যাত সংগঠক ও লেখক ছিলেন। D) প্রেমেন্দমিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই কালিকলম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রেমেন্দমিত্র নামটির সঙ্গে 'কালিকলম' পত্রিকার নাম মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, প্রেমের কলমে কালির আঁচড় দিয়েই এই পত্রিকার সূচনা হয়েছিল। - সম্পাদক হিসেবে প্রেমেন্দ্র মিত্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১৯২০ ও ১৯৩০ এর দশকের সাহিত্যপত্র এবং তাদের সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কালিকলম পত্রিকার প্রকাশকাল ও প্রথম সম্পাদকের নাম ভালোভাবে জেনে রাখা সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য খুব জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0