প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. আনিসুজ্জামান
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - কালান্তর প্রবন্ধগ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত চিন্তামূলক ও মননশীল রচনা। - এই গ্রন্থে ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে রচিত রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন প্রবন্ধ ও নিবন্ধ সংকলিত হয়েছে, যেখানে সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের গভীর বিশ্লেষণ রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং বাংলা ছোটগল্প, কবিতা, নাটক ও প্রবন্ধের অগ্রদূত। - কালান্তর গ্রন্থটি তাঁর প্রৌঢ় বয়সের গভীর রাজনৈতিক ও সমাজচিন্তার এক অনন্য দলিল, যা তৎকালীন ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতির রূপান্তরকে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্যতার সংকট ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ, যা তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত এবং সমকালীন বিশ্ব সংকটের প্রতিফলন। উদাহরণ ২: কালান্তর প্রবন্ধের বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে ব্রিটিশ শাসনকাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী পরিস্থিতি এবং ভারতীয় সমাজের নানা অসঙ্গতি ও পরিবর্তনের কথা আলোচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. আনিসুজ্জামান — তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও গবেষক হলেও কালান্তর প্রবন্ধের লেখক নন, তিনি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও বাঙালি সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেছেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও কালান্তর তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো যুগবাণী। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক হলেও কালান্তর তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বীরবল ও তর্জমা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাজ ও কাল বদলের কথা যিনি গভীরভাবে ভেবেছেন, সেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থের নাম কালান্তর। - রবীন্দ্রনা ঠাকুরের চিন্তামূলক প্রবন্ধ মনে রাখার জন্য সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে তাঁর লেখা প্রবন্ধগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালান্তর, সভ্যতার সংকট ও কালান্তর প্রবন্ধগ্রন্থের প্রকাশকাল বা বিষয়বস্তু প্রায়ই আসে। - লেখকদের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0