প্রশ্নের বর্ণনা

a যতীন্দ্র মোহন বাগচী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীম উদদীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যতীন্দ্র মোহন বাগচী ১. কেন সঠিক: - 'কাজলা দিদি' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শোকাবহ কবিতা, যার রচয়িতা কবি যতীন্দ্র মোহন বাগচী। - কবিতাটিতে গ্রামীণ পরিবারের এক ছোট শিশুর তার মৃত বা নিখোঁজ দিদিকে হারানোর বেদনা ও নিষ্পাপ কৌতূহল মর্মান্তিক ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যতীন্দ্র মোহন বাগচী বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রা নিয়ে কবিতা লিখেছেন। - তার কবিতায় পল্লিগ্রামের নিখাদ চিত্র, মানুষের সুখ-দুঃখ এবং আবেগ অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ছন্দে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কাহাতক আর সহ্য হয়' ব্যাখ্যা: এটি যতীন্দ্র মোহন বাগচীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যা তার কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: 'অন্ধ বধূ' ব্যাখ্যা: এটিও কবি যতীন্দ্র মোহন বাগচীর রচিত অত্যন্ত পরিচিত ও প্রশংসিত একটি কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই বিখ্যাত 'কাজলা দিদি' কবিতাটি রচনা করেছেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি, তবে 'কাজলা দিদি' কবিতার রচয়িতা তিনি নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কবিতাটি তার লেখা নয়। D) জসীম উদদীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও 'কাজলা দিদি' কবিতাটি তার রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাজলা দিদি কবিতায় দিদির জন্য ছোট বোনের অপেক্ষা বোঝানো হয়েছে, আর এই করুন রসের কবিতাটির কবি হলেন যতীন্দ্র মোহন বাগচী। - কবি যতীন্দ্র মোহন বাগচীর নাম মনে রাখতে 'কাজলা দিদি ও যতীন্দ্র মোহন' এভাবে জোড়া মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও কবিতার নাম মিলকরণ প্রশ্নে এটি প্রায়ই আসে। - পল্লীসাহিত্য ও শোকগাথাভিত্তিক কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0