প্রশ্নের বর্ণনা

a বুন্ধদেব বসু
b দীনেশরঞ্জন দাশ
c সজনীকান্ত দাশ
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশরঞ্জন দাশ কেন সঠিক: ১৯২৩ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যপত্রিকা 'কল্লোল' এর প্রথম ও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। তাঁর সম্পাদনাতেই পত্রিকাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার হাওয়া লেগেছিল তার প্রধান বাহক ছিল কল্লোল যুগ। এই পত্রিকার সাথে জড়িত লেখকরা প্রথাগত সাহিত্যধারা ভেঙে নতুন ধারার মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তবধর্মী সাহিত্য রচনা করেছিলেন। যেমন বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র এবং অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত এই পত্রিকার মাধ্যমেই পরিচিতি লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল পত্রিকার সাথে যুক্ত থাকলেও এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন না বরং পরবর্তী প্রজন্মের একজন বিশিষ্ট লেখক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। C) সজনীকান্ত দাশ — তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর বিরোধী হিসেবে পরিচিত 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন এবং কল্লোল সাহিত্য আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করতেন। D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক ও কবি হলেও এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বা প্রথমা সম্পাদক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: কল্লোল মানে ঢেউ এবং দীনেশরঞ্জন দাশ যেন এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন ঢেউ এনেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে দীনেশরঞ্জন দাশের নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর খুব সহজেই সঠিক করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0