প্রশ্নের বর্ণনা

a 1923
b 1932
c 1933
d 1930
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৩ ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই সাহিত্যপত্রটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত ঘটিয়েছিল এবং নতুন ধারার সৃষ্টির মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সঙ্গে যুক্ত হন। এটি ছিল বাংলা সাহিত্যর কল্লোল যুগের প্রধান মুখপত্র যা তিরিশের দশকের আধুনিক কবি ও লেখকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচিন পাখি ব্যাখ্যা: কল্লোল যুগের লেখকদের লেখায় প্রথাগত রোমান্টিসিজমের বাইরে নতুন জীবনের জয়গান ও মানুষের অবচেতন মনের প্রতিফলন দেখা যায়। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এই সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কবি জীবনানন্দ দাশ আধুনিক কবিতার এক নতুন নান্দনিক রূপ ও বিষণ্ণতার সুর নিয়ে আসেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ — এই সালেই কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ১৯৩২ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি বরং এটি বাংলা সাহিত্য ও পত্রিকার ইতিহাসের অন্য একটি সময়কাল। C) ১৯৩৩ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি এবং এটি সঠিক প্রকাশকাল নয়। D) ১৯৩০ — এই সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি বরং পত্রিকাটি তার আগেই ১৯২৩ সালে আত্মপ্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কল্লোল মানে ঢেউ এবং এর প্রকাশসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে আধুনিকতার ঢেউ প্রথম এসে লেগেছিল ১৯২৩ সালে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বা বুদ্ধদেব বসুর সাহিত্যিক সময়কালগুলো মনে রাখলে এই দশকের পত্রিকাগুলো সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকের নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ এবং এই পত্রিকার সঙ্গে জড়িত লেখকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0