প্রশ্নের বর্ণনা

a তারাচরণ শিকদার
b ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c কালী প্রসন্ন সিংহ
d কালী প্রসন্ন ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও লেখক সংক্রান্ত। 'কলিকাতা কমলালয়' ও 'নববাবু বিলাস' উভয় গ্রন্থই উনিশ শতকের প্রথমার্ধের বিশিষ্ট গদ্যলেখক ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা। - এই গ্রন্থগুলোতে তৎকালীন কলকাতার সমাজচিত্র, নব্য বাবুদের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা এবং কলকাতার সামাজিক ইতিহাস অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও রামমোহন রায়-পরবর্তী যুগের একজন অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ও সংবাদিক। - তিনি ১৮২৩ সালে 'সমাচার চন্দ্রিকা' পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং কলকাতার রক্ষণশীল সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কলিকাতা কমলালয়' ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৩ সালে প্রকাশিত একটি সমাজভিত্তিক গদ্যগ্রন্থ, যেখানে কলকাতার উৎস ও সামাজিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'নববাবু বিলাস' ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৫ সালে প্রকাশিত একটি সামাজিক নকশা জাতীয় গ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন কলকাতার লম্পট ও বখে যাওয়া বাবুদের জীবনধারা ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তারাচরণ শিকদার — এই লেখক 'বাঙলা পদ্য ও গদ্য পুত্তক' বা উয়াসরুট সাহেবের ইতিহাস রচনার জন্য পরিচিত, আলোচ্য গ্রন্থ দুটির রচয়িতা নন। B) ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং তিনি 'কলিকাতা কমলালয়' ও 'নববাবু বিলাস' গ্রন্থ দুটির সফল রচয়িতা। C) কালী প্রসন্ন সিংহ — তিনি বিখ্যাত 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' গ্রন্থের রচয়িতা, যা কলকাতার সমাজের ওপর লেখা হলেও এই দুটি গ্রন্থ তাঁর নয়। D) কালী প্রসন্ন ঘোষ — তিনি একজন প্রাবন্ধিক ও চিন্তাশীল সাহিত্যিক ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'নিবেদন' ও 'ভ্রান্তিবিলাস', আলোচ্য গ্রন্থগুলো তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার সমাজ নিয়ে লেখা বিখ্যাত দুটি বই মনে রাখার কৌশল হলো বাবুদের বিলাস এবং কমলালয়ের গল্প। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ভবানীচরণ বাবুদের বিলাসের কথা ও কলিকাতার কমলালয়ের কথা লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'নববাবু বিলাস' কার রচনা এই প্রশ্নটি বারবার আসে। - উনিশ শতকের সামাজিক নকশা জাতীয় গদ্যসাহিত্যের সূচনা করেছিলেন ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্যারীচাঁদ মিত্র।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0